ঘুমে মাথায় বালিশের ব্যবহার, কিভাবে বালিশ দিলে মেরুদন্ড সুস্থ থাকে
ঘুম হচ্ছে আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গি। ঘুমকে আরামদায়ক করতে আমরা কত কিছুইনা করে থাকে। বিশেষ করে ঘুমে মাথায় বালিশের ব্যবহার সুপ্রাচীন কাল থেকেই মানুষের অভ্যাস হিসেবে গড়ে উঠেছে। ঘুমের মধ্যে মাথার বালিশ দেয়া প্রধান প্রয়োজনীয় অংশ হওয়ায় এটির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দিতে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
পেজ সূচিপত্রঃদেহের প্রশান্তির জন্য যে কোন প্রাণীর জন্য ঘুম অত্যাবশ্যকীয়। মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্ আমাদের ঘুম নামক একটি সময় নির্ধারিত করে দিয়েছেন। বিশেষকরে, সারাদিনের মধ্যবর্তী ঘুমের চাইতে রাতের ঘুম আমাদের শরীরকে সকল প্রকার সুস্থার জন্য প্রধান অন্তরায় হিসেবে কাজ করে থাকে। তাই, রাতে ঘুমানোর সময় কিভাবে মাথায় বালিশ ব্যবহার করবেন এবং কিভাবে বালিশ দিলে মেরুদন্ড সুস্থ থাকে সে সম্পর্কে কিছুটা ধারণা রাখাটা বিশেষভাবে জরুরি। অন্যথায়, বালিশ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম না জানা থাকলে আপনার শরীরের বিশেষ একটি অংশ হচ্ছে মেরুদণ্ড যা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা এবং এটি আপনার জন্য দুঃশ্চিন্তার কারণ হিসেবেও দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেই, কিভাবে আপনি ঘুমে মাথায় বালিশের ব্যবহার করলে মেরুদণ্ড সুস্থ থাকে।
ঘুমে মাথায় বালিশের ব্যবহার, কিভাবে বালিশ দিলে মেরুদন্ড সুস্থ থাকে
ঘুম আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষের জীবন ব্যবস্থায় ঘুমের পর্যাপ্ত চাহিদা পূর্ণ করতে ঘুমের মধ্যকার কিছু ভঙ্গিমা পরিবর্তন করাটা বিশেষভাবে জরুরি। ঘুমের সময় আমাদের সকল অঙ্গপতঙ্গ সুচারুভাবে রাখা, বিশেষ করে শরীরের অবস্থান নিশ্চিত করাসহ ঘাড় ও মেরুদণ্ডকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় স্থির রাখতে হয়। শতকরা ৯৯% মানুষ ঘুমের জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে বালিশের প্রতি আশক্ত হন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতভেদে কিছুটা ভিন্নতা প্রকাশ পায় তা হল, ঘুমের সময় মাথায় বালিশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। কিন্তু তারপরও আমাদের মন তা মানতে নারাজ। নিম্নে ঘুমে মাথায় বালিশের সঠিক ব্যবহার, কিভাবে বালিশ দিলে মেরুদণ্ড সুস্থ রাখা যায় কিছু টিপস তুলে ধরা হ'ল।
১। বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমালে কি উপকার
অনেক সময় কোন বিশেষ কারণে ঘুম আসতে দেরী হলে আপনি যেই বালিশে মাথা দেন তাৎক্ষনিক ঘুম আসতে শুরু করে। বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমালে বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন-
ক) আপনি বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমালে অনেকগুলো উপকার পেতে পারেন, তা হল ঘাড়কে সোজা রাখতে, ঘাড় মচকানো এমনকি ঘাড়ের ব্যথা হওয়া থেকে পরিত্রাণ পেতে ও মেরুদণ্ডকে সোজা রাখতে বা সঠিক জায়গায় ধরে রাখতে মাথায় দেয়ার বালিশ বেশ কার্যকরী।
খ) আপনি যদি নিয়মিত মাথার বালিশ ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার ঘাড়ের মাংসপেশী নরম থাকার পাশাপাশি মাথা শক্ত হওয়া থেকে মুক্তি দেয়।
গ) আধুনিক চিন্তা ধারনার অংশ হিসেবে এখন হরেক রকমের বালিশ মার্কেটে পাওয়া যায়। বিশেষকরে অ্যালার্জি প্রতিরোধে কিছু এমন বালিশ দেখতে পাওয়া যায় যেগুলো ধুলোবালি বা অন্যান্য অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান থেকে সুরক্ষা দেয়। যারা এলারজি জাতীয় বহুমাত্রিক রোগে আক্রান্ত, বিশেষকরে সাইনসাইটস রোগে আক্রান্ত তাদের জন্য বালিশ ব্যবহার খুবই উপকারী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
ঘ) বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমালে অনেকগুলো উপকারের মধ্যে আরও একটি উপকার হল, ঘুমের সময় মাথায় বালিশ দিয়ে ঘুমালে শারীরিক প্রশান্তি যেমন আসে পাশাপাশি মানসিক চাপও কমতে বিশেষভাবে কাজ করে। নিরবিচ্ছিন্ন ঘুম পেতে সহায়তা করে।
ঙ) ঘুমে মাথায় বালিশ দিলে যেমন মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে আবার যারা মাঝে মধ্যে মাথা ব্যাথার সমস্যায় ভুগেন তাদের জন্য এই প্রক্রিয়াটি বেশ কাজে আসতে পারে। এক্ষেত্রে নরম, আরামদায়ক বালিশ হলে বেশী ভালো হয়। তাই, মাথা ব্যাথার জন্য অতিরিক্ত ব্যাথা প্রতিরোধক ড্রাগ সেবন না করে নিয়মিত বালিশ ব্যবহার করা আপনার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে।
২। কিভাবে বালিশ দিলে মেরুদন্ড সুস্থ থাকে
আমাদের শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি অঙ্গ হল মেরুদণ্ড। মেরুদণ্ডকে বাদ দিয়ে মানবদেহের কাঠামো গড়ে উঠা অসম্ভব। তাই, শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোকে ধরে রাখতে এই মেরুদণ্ডের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মেরুদণ্ড ভালো রাখার জন্য আমরা শরীরচর্চায় নানাবিদ পরিবর্তন এনে থাকি। আবার ঘুমের সময় সঠিকভাবে বালিশের ব্যবহার না হলেও আপনার মেরুদণ্ডের ক্ষয়-ক্ষতি হতে পারে। নিম্নে কিভাবে বালিশ দিলে মেরুদন্ড সুস্থ থাকে সে সম্পর্কে কিছু আলোকপাত করা হল।
ক) উপযুক্ত বালিশ নির্বাচন
মেরুদণ্ড নামক শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটি ভালো রাখতে আপনাকে অবশ্যই উপযুক্ত বালিশ নির্বাচনের দিকে মনোযোগ দেয়াটা বিশেষভাবে জরুরি। আপনার সুবিধামত ঘারের শেপ অনুযায়ী বালিশের উচ্চতা নির্বাচন করুন। বালিশের সঠিক উচ্চতা ও ঘুমের সময় শরীরের অবস্থান নিশ্চিত করতে না পাড়লে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষতিকারক হিসেবে মেরুদণ্ডের উপর আকস্মিক চাপ পড়তে থাকে। এইভাবে অনবরত চাপ পড়তে থাকলে একটি সময় মেরুদণ্ডে দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা অনুভূত হওয়াসহ মেরুদণ্ড ব্যাকে যাওয়ার আসঙ্খা দেখা দিতে পারে। তাই, মেরুদণ্ড ভালো রাখতে হলে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই উপযুক্ত বালিশ নির্বাচন করাটা বিশেষভাবে জরুরি।
খ) মেরুদণ্ডের সাথে বালিশের যে সম্পর্ক
মেরুদণ্ডের সাথে বালিশের যে সম্পর্ক রয়েছে তা আমাদের অনেকেরই অজানা। বলতে গেলে মানবদেহের মেরুদণ্ডে রয়েছে ৩৩টি কশেরুকা যা আমাদের শরীরের মাথা হতে কোমর অবদি সমাদৃত। এই মেরুদণ্ড আমাদের শরীরের স্ট্রাকচারের ভারসাম্য ও শরীরকে নড়াচড়া করাতে সাহায্য করে। এককথায় কম্পিউটারে বসে কাজ করার মতো ঘুমানোর সময়ও মেরুদণ্ডকে সোজা রাখতে বালিশের বিকল্প নেই।
গ) সঠিক পন্থায় বালিশের ব্যবহার
মেরুদণ্ড সুস্থ রাখতে হলে সঠিক পন্থায় বালিশের ব্যবহার জানাটা একান্ত জরুরি। আপনি চাইলে ঘুমের সময় খানিকটা কাত-চিৎ হয়ে শুয়ে দেখতে পারেন এতে করে মেরুদণ্ড সোজা থাকবে। অন্য আরও উপায় হিসেবে শোয়ার সময় হাঁটুর নিচে কোল বালিশ রাখতে পারেন এতে করে আপনার কোমরের উপরে চাপ কম সৃষ্টি হবে এবং মেরুদণ্ড ভাল থাকতে উপকারে আসবে অর্থাৎ মেরুদণ্ড সোজা ও শক্ত থাকবে। বিশেষকরে উঁচু ও শক্ত বালিশ পরিহার করে। অত্যধিক উঁচু ও শক্ত প্রকৃতির বালিশ আমাদের ঘাড় ও মেরুদণ্ডে বিষণ চাপ দেয় যার কারণে একটি সময় ঘাড় ও মেরুদণ্ডে দেখা দেয় নানান ব্যাথাজনিত সমস্যা। এক্ষেত্রে, আপনি ইচ্ছা করলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অর্থোপেডিক বালিশ ব্যবহার করেও দেখতে পারেন।
ঘ) চিরাচরিত জীবনব্যবস্থার পরিবর্তন আনা
ঘুমের সময় বালিশ ব্যবহারে আপনার মেরুদণ্ড যদি সুস্থ রাখতে চান তাহলে চিরাচরিত জিবনব্যবস্থার প্রতি দৃষ্টি দিতে হবে। বিশেষ কোন ব্যস্থ্যতার কারণে আমরা অনেকসময় ঘুমের দিক ঠিক না রেখে যেমন তেমন ভাবে ঘুমিয়ে পড়ি। এর ফলে কি হয় আমাদের মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। মেরুদণ্ডের এই অনাকাঙ্খিত আঘাত আমাদেরকে অনেকসময় দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। এই অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য আপনাকে অবশ্যই চিরাচরিত জীবনব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন আনাটা একান্ত জরুরি।
- ঘুমানোর সময় অবশ্যই আপনার শরীর আঁকাবাঁকা না রেখে সোজা ভাবে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
- ডান কাথ হয়ে একটি বালিশ আপনার পায়ের নিছে শরীরের সাথে রেখে ঘুমিয়ে কিছুটা উপকার পেতে পারেন।
- দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকলেও মেরুদণ্ডে ব্যাথা অনুভূত হতে পারে। তাই, আধা ঘণ্টা অন্তর চেয়ার থেকে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করুন।
- ঘুমের সময় অবশ্যই সঠিক ভঙ্গিমা একান্ত প্রয়োজন। ঘুমের সময় সঠিক অঙ্গ-ভঙ্গি আপনার মেরুদণ্ড সুস্থ রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- হাঁটা বা দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে কুঁজো হয়ে থাকার অভ্যাস পরিত্যাগ করা না গেলে একটি সময় এটিও আপনার মেরুদণ্ডের ক্ষতির কারণ হতে পারে। যার জন্য বসার সময় কোমর ও পিঠ সোজা রাখুন। প্রয়োজনে কিছু শারীরিক ব্যায়াম যেমন- স্ট্রেচিং, কোমর শক্তিশালী করতে যোগ ব্যায়ামের পাশাপাশি পুশাপ নিয়মিত করলে মেরুদণ্ডকে মজবুত করে। প্রয়োজনে মেরুদণ্ড শক্ত ও মজবুত রাখতে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম এর ট্যাবলেট খেতে পারেন। এটি যেমন আপনার হাড়কে শক্তিশালী ও মজবুত করে, অন্যদিকে মেরুদণ্ড ভাঙ্গার হাত থেকেও রক্ষা দেয়।
ঙ) বালিশ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা
ঘুমের মধ্যে মেরুদণ্ড সুস্থ রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই সঠিক বালিশ নির্বাচন একান্ত আবশ্যক। আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত আপনার মেরুদণ্ডের জন্য হতে পারে ক্ষতির কারণ। তাই, অত্যধিক উঁচু প্রকৃতির শক্ত বালিশ এড়িয়ে চলুন। শক্ত ও উঁচু বালিশে ঘাড়ে টান ও মেরুদণ্ডের ক্ষতির কারণ হতে পারে। আবার অত্যধিক নরম বালিশও মেরুদণ্ডের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। মাথা ডুবে যায় এমন নরম বালিশেও মেরুদণ্ডে চাপ পড়তে পারে এবং মেরুদণ্ড বাঁকা হওয়ার উপক্রম হওয়ার আশঙ্খা দেখা দিতে পারে।
চ) বালিশের প্রকৃতি ও মেরুদণ্ডের প্রভাবে সুবিধা/অসুবিধা
| বালিশের প্রকৃতি | সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|---|
| অত্যধিক উঁচু বালিশ | মাথা রাখে উঁচু। | মাথা শক্ত হওয়া, ঘাড়ে ব্যথা ও মেরুদণ্ডে চাপ সৃষ্টি হয়। |
| অতিরিক্ত নরম বালিশ | অতিরিক্ত নরম বালিশ আরামদায়ক মনে হয় বিধায় চাহিদা বেশী। | অতিরিক্ত নরম বালিশ ব্যবহারে মেরুদণ্ড বাঁকা হওয়ার উপক্রম হতে পারে। |
| মেমরি ফোম | মেমরি ফোম ব্যবহারে সুবিধা বলতে গেলে একদিকে ঘাড়ের প্রাকৃতিক বাঁক ধরে রাখে। | মেমরি ফোম দামে অন্যান্য ফমের তুলনায় একটু বেশি। |
| অর্থোপেডিক জাতীয় বালিশমেমরি ফোমমেমরি ফোম | এটি মূলত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়ে থাকে। | এটি সব বয়সীদের জন্য চিকিৎসানুপাতে আরামদায়ক নাও হতে পারে। |
৩। কোন অভ্যাস ভাল
একজন ব্যক্তির ঘুমের সময় বালিশের প্রয়োজন এটি নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিনের অভ্যাস হলেও এটি একজন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক চাহিদা এবং অভ্যাসের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। কেউ যদি ঘাড় ও পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে চান, তাহলে সঠিক উচ্চতায় বালিশ ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন মাঝে মধ্যে বালিশ ব্যতিত ঘুমাতেও পছন্দ করে থাকেন। তবে, এটি সব সময়ের অভ্যাস নাও হতে পারে। বিশেষ করে মেরুদণ্ডের সুস্থতার জন্য এটিও বিকল্প পদ্ধতি হতে পারে।
শেষ কথা
ঘুম আমাদের জীবনের অমুল্য সম্পদ। সারাদিনের ব্যস্থতার পর রাতের ঘুম আমাদের শারীরিক ক্লান্তি দূর করতে কাজ করে। তবে, ঘুমের সময় সঠিক পদ্ধতিতে বালিশ নির্বাচন ও ব্যবহার একজন ব্যক্তির মেরুদণ্ডের সুস্থতার জন্য বিশেষভাবে কার্যকরী। কিছু নিয়ম মেনে বালিশ ব্যবহার করলেই আমরা পেতে পারি একটি প্রশান্তিময় ঘুম ও সুস্থ জীবন ব্যবস্থা। প্রিয় পাঠক, আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছেন এবং ঘুমে মাথায় বালিশের ব্যবহার, কিভাবে বালিশ দিলে মেরুদন্ড সুস্থ থাকে সে সম্পর্কে বিশদ জানতে পেরেছেন। আশা করছি, আজকের আর্টিকেলটি আপনার শরীর গঠনে সহায়ক হতে পারে। ভবিষ্যতে, এমন আরও সাস্থ্য সম্পর্কিত টিপস নিয়ে আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে এবং এতক্ষণ আমাদের সাথে সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আজকের মতো বিদায় নিলাম।
.webp)
আলোকবর্ষ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুণ। প্রীতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়।
comment url